বহুজাতিক কোম্পানি ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের পর্ষদ চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধের (মার্চ-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ৫০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত এ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১০ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০১ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৪ টাকা ৬৫ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ হাজার ৮৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশের পর্ষদ। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ ও ১ হাজার ৮৯০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ১৮৭ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩৯ টাকা ১৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬০ টাকা ৬৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৭৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১২ টাকা ৮২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৮৫ পয়সায়।
মুম্বাইভিত্তিক এফএমসিজি কোম্পানি ম্যারিকো ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে। ২০০৯ সালে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড নামে এটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৪০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ৬৯৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লাখ। এর ৯০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ২৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।